আপনার জন্য টিপস

আমদের উদ্দেশ্য

১. গ্রামীণ জনসাধারণকে জনশক্তিতে রুপান্তর করে তাদের দ্বারা উৎপাদিত পণ্যসামগ্রী ‍সরাসরি ভোক্তার নিকট বিক্রয়ে সহযোগিতা করা।
২. প্লাটফর্মের নিজ দায়িত্ত্বে প্রয়োজনীয় তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ এবং আপডেট করে দেওয়া ।
৩.গ্রামীন জনগোষ্ঠির মধ্যে যাহাদের অনলাইন সম্পর্কে কোন ধারনা নেই কিন্তু তারা কোন না কোন পণ্য উৎপাদনের সাথে জড়িত, তাদের পণ্য অনলাইনে বিক্রয়ের জন্য শতভাগ সহায়তা করা।
৪. শহরে কর্মরত ব্যক্তিকে ভোক্তা থেকে উদ্যোক্তা হতে সহায়তা করা।
৫. এই প্লাটফর্মে যাহারা ভোক্তা হিসাবে যোগদান করবে তার যদি নূন্যতম ইচ্ছা থাকে তাহলে তাকে একজন উদ্যোক্তা  হতে শতভাগ সহায়তা করা।
৬. সিন্ডিকেট মুক্ত বাজার ব্যবস্থা তৈরী করা।
৭. বরকতময় জীবন ব্যবস্থা তৈরী করতে সহযোগিতা করা।
৮. চাকুরীর দিকে না ছুটে নিজেই নিজের কর্মসংস্থান তৈরি করা।
৯. অন্যান্য পেশাজীবীকে ২য় আয়ের উৎস তৈরি করতে সহযোগিতা করা

আরো দেখুন

ব্যবসা সম্পর্কে

ব্যবসা সম্পর্কে নবী মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যা বলেছেন

আমি ব্যবসা করার সুন্নাত সম্পর্কে জানতে চাই। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কীভাবে ব্যবসা করতেন? তিনি পণ্যের বর্ণনা, বিনিময়, ফেরত ইত্যাদি কীভাবে দিতেন?
উত্তরের সারসংক্ষেপ
ব্যবসা সম্পর্কে নবী মুহাম্মদের উপদেশ:
১- তিনি ব্যবসায়ীদের সৎ ও সৎ হতে এবং দান-খয়রাত করার নির্দেশ দিতেন।

২- তিনি মানুষকে ক্রয়-বিক্রয়ে সহনশীল ও সহজ-সরল হতে আদেশ দিতেন।


৩- তিনি মানুষকে তাদের অধিকার দিতেন এবং অন্যদেরও একইভাবে কাজ করার জন্য অনুরোধ করতেন।

৪- তিনি মানুষকে অনুরোধ করতেন যে, যদি ক্রেতা অনুতপ্ত হয় তবে তাকে লেনদেন বাতিল করতে দিন।


৫- তিনি কেনার সময় মানুষের সাথে দর কষাকষি করতেন, কিন্তু জিনিসপত্রের আসল মূল্যকে অবমূল্যায়ন করার জন্য এতদূর যেতেন না।


৬- তিনি মানুষকে ওজন করার সময় একটু বেশি দিতে উৎসাহিত করতেন।


৭- তিনি মানুষকে অনুরোধ করতেন যে, আর্থিকভাবে অসুবিধাগ্রস্ত ঋণগ্রহীতাকে আরও সময় দিতে হবে, অথবা ঋণ মওকুফ করতে হবে।


৮- তিনি রিবা সংক্রান্ত লেনদেন এবং অস্পষ্টতা সংক্রান্ত লেনদেন নিষিদ্ধ করেছিলেন।


https://islamqa.info/en/answers/134621/what-prophet-muhammad-said-about-business#related_answers

আরো দেখুন

জনাব আলম এবং তার ৪৪+ বছরের কর্মজীবন

ইনি হলেন জনাব আলম যিনি ১২ বছর বয়সে কৃষিকাজ শুরু করেছিলেন। এখন তাঁর বয়স ৫৫+। তাঁর কোনও বিশ্রাম নেই, তিনি এখনও তাঁর পরিবার এবং আমাদের জন্য ধান চাষের জন্য সংগ্রাম করছেন। তিনি তাঁর সারা জীবনে কোনও লাভ করতে পারেন নি। সমস্ত কৃষকের উদাহরণ একই। উৎপাদন বাড়লে দাম কমে যায়। কিন্তু তারা কখনও তাঁর কাজ বন্ধ করেন না এবং কখনও তাদের চাকরি পরিবর্তন করেন না।

আমাদের সম্মানিত কৃষক যিনি আমাদের প্রতিদিন আমাদের থালায় সব ধরণের খাবার আনতে সাহায্য করেন। তাদের সহায়তা ছাড়া আমরা একটি দিনও পার করতে পারতাম না। কিন্তু তাদের সাথে আমাদের কোনও সম্পর্ক নেই। তারা আমাদের চেনে না, কিন্তু বৃষ্টি বা রোদের মধ্যে খোলা মাঠে কঠোর পরিশ্রম করে আমাদের থালায় খাবার আনতে নিরন্তর চেষ্টা করে যাচ্ছেন। সহস্র সালাম সকল কৃষক ভাইদেকে।

মুলত আমরা চাই এরকম প্রন্তিক কৃষক ভাইদেরকে কর্পোরেট চাকুরীজীবি এবং ব্যসায়ীদের সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়া। যেন তারা ন্যয্য মূল্যে তাদের উৎপাদিত ফসল সরাসরি বিক্রয় করতে পারেন।

ছবিঃ  জনাব আলম ঠিকানাঃ বেহারীপুর, বাকেরগঞ্জ, বরিশাল

আরো দেখুন

এখনই শুরু করুন আপনার অনলাইন ব্যবসায়

আমরা উদ্যোক্তাদের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ সাপোর্ট সিস্টেম প্রদান করি, যেখানে তাদের ব্যবসার ডিজিটাল উপস্থিতি সহজ ও কার্যকরভাবে পরিচালনা করা হয়। আমাদের সেবার মধ্যে রয়েছে পণ্য আপলোড, আকর্ষণীয় ব্যানার ডিজাইন, প্রোফাইল আপডেট এবং ভয়েস মেসেজের মাধ্যমে অর্ডার গ্রহণ। গ্রাহকদের পক্ষ থেকে, আমরা প্ল্যাটফর্মে তাদের অর্ডার সঠিকভাবে তৈরি করি এবং নিশ্চিতকরণের পর দ্রুত ডেলিভারি প্রক্রিয়া শুরু করি। উদ্যোক্তাদের জন্য, আমরা তাদের নিজস্ব আইডি অনুযায়ী পণ্যগুলো সুশৃঙ্খলভাবে সাজিয়ে দিই, যাতে তারা সহজে তাদের ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন।

আমরা পণ্য ব্যবস্থাপনা, অর্ডার প্রসেসিং, ডেলিভারি সাপোর্ট এবং আর্থিক লেনদেনসহ একটি সম্পূর্ণ ইকোসিস্টেম প্রদান করি। ভবিষ্যতে উদ্যোক্তাদের নিজস্ব ব্র্যান্ড গড়ে তুলতে আলাদা ওয়েবসাইট তৈরির সুযোগও আমরা নিশ্চিত করি।

আপনি  যদি একজন চাকুরীজীবি অথবা গৃহিণী হন ।  অনলাইনে বিক্রি শুরু করতে চান কিন্তু ঝামেলা বেশি মনে হয় ।

আমরাই আছি আপনার পাশে!
✔️ পণ্য আপলোড
✔️ আকর্ষণীয় ব্যানার ডিজাইন
✔️ অর্ডার ম্যানেজমেন্ট
✔️ ডেলিভারি সাপোর্ট
✔️ সহজে টাকা উত্তোলন

এখনই শুরু করুন আপনার অনলাইন ব্যবসা—কোনো টেকনিক্যাল ঝামেলা ছাড়াই! আমাদের প্লাটফর্মে।

আরো দেখুন

উজানভাটি প্ল্যাটফর্মে নিবন্ধনের অনন্য সুবিধাসমূহঃ

উজানভাটি কেবল একটি ই-কমার্স সাইট নয়, বরং এটি নতুন ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের স্বাবলম্বী করার একটি শক্তিশালী মাধ্যম। এখানে রেজিস্ট্রেশন করলে আপনি নিম্নলিখিত সুবিধাসমূহ উপভোগ করতে পারবেন:

  ক্ষুদ্র পুঁজিতে ব্যবসার শুরু:

আপনার বিশাল ইনভেন্টরির প্রয়োজন নেই। মাত্র একটি পণ্য বা সেবা নিয়ে আপনি আপনার ব্যবসায়িক যাত্রা শুরু করতে পারেন।

 নিজস্ব ডোমেইন বা ওয়েবসাইটের ঝামেলামুক্তি:

অনলাইনে ব্যবসার জন্য আলাদাভাবে ওয়েবসাইট তৈরির খরচ ও কারিগরি জটিলতা পোহাতে হবে না। উজানভাটির আধুনিক প্ল্যাটফর্মই আপনার ব্যবসার ডিজিটাল ঠিকানা হিসেবে কাজ করবে।

 ব্র্যান্ডিং ও পরিচিতি:

প্ল্যাটফর্মটি আপনাকে একজন সাধারণ বিক্রেতা নয়, বরং একটি স্বতন্ত্র 'ব্র্যান্ড' হিসেবে গড়ে তুলতে এবং বাজারে পরিচিতি পেতে সরাসরি সহযোগিতা করবে।

 বহুমুখী বিক্রয় সহায়তা:

আপনার পণ্য কেবল বাইরের ক্রেতাদের কাছেই নয়, প্ল্যাটফর্মের বিশাল মেম্বার নেটওয়ার্কের মধ্যেও বিক্রয় করার সুযোগ পাবেন। অর্থাৎ, ভেতরে-বাইরে উভয় পাশ থেকেই বিক্রয় সহযোগিতা নিশ্চিত করা হয়।

 স্মার্ট কাস্টমার ম্যানেজমেন্ট:

রেজিস্ট্রেশনের পর আপনার জন্য একটি ইউনিক 'রেফারেল কোড' জেনারেট হবে। এর মাধ্যমে আপনি সহজেই আপনার নিজস্ব একটি স্থায়ী কাস্টমার বেস বা ক্রেতা তালিকা তৈরি করতে পারবেন।

 স্বয়ংক্রিয় আয়ের সুযোগ (প্যাসিভ ইনকাম):

আপনার তৈরি করা কাস্টমার লিস্ট থেকে কেউ যদি ভবিষ্যতে প্ল্যাটফর্মের যেকোনো পণ্য ক্রয় করে, তবে সেই বিক্রয়ের একটি নির্দিষ্ট কমিশন স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার অ্যাকাউন্টে জমা হবে।

 টিম বিল্ডিং ও নেটওয়ার্কিং:

আপনার কাস্টমার যদি চান, তবে তিনিও আপনার মাধ্যমে এই প্ল্যাটফর্মে একজন সফল উদ্যোক্তা হিসেবে যুক্ত হতে পারবেন, যা আপনার নেটওয়ার্ককে আরও শক্তিশালী করবে।

 ওয়ান-স্টপ সলিউশন:

একই অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে আপনি আপনার প্রয়োজনীয় পণ্য সাশ্রয়ী মূল্যে ক্রয় করতে পারবেন, আবার উদ্যোক্তা হিসেবে নিজের পণ্য বিক্রয়ও করতে পারবেন।

 ক্রেতা থেকে উদ্যোক্তা হওয়ার সুযোগ:

আপনি যদি শুরুতে শুধুমাত্র একজন সাধারণ ক্রেতা হিসেবেও যুক্ত হন, তবুও প্ল্যাটফর্মের বিশেষ সুযোগ-সুবিধার মাধ্যমে যেকোনো সময় আপনি একজন পুরোদস্তুর উদ্যোক্তায় রূপান্তরিত হতে পারবেন।

আরো দেখুন

উজানভাটি.কম এর প্যাকেজিং ও ব্র্যান্ডিং নীতিমালা :

উজানভাটি.কম-এ প্রতিটি পণ্যের সুরক্ষা এবং ব্র্যান্ডের মান বজায় রাখতে ভেন্ডরদের নিম্নলিখিত প্যাকেজিং নির্দেশিকা মেনে চলা বাধ্যতামূলক:

১. প্যাকেজিংয়ের গুণগত মান (Packaging Quality)

মজবুত সুরক্ষা: পণ্যটি এমনভাবে প্যাক করতে হবে যেন শিপিং বা পরিবহনের সময় কোনোভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। ভঙ্গুর (Fragile) পণ্যের ক্ষেত্রে বাবল র‍্যাপ (Bubble Wrap) বা ফোম ব্যবহার করা আবশ্যক।

আদ্রতা ও ধুলোবালি রোধ: পণ্যকে পানি, আদ্রতা এবং ধুলোবালি থেকে রক্ষা করার জন্য ওয়াটারপ্রুফ পলি বা উপযুক্ত কার্টন ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

সিলিং (Sealing): প্যাকেজটি এমনভাবে সিল করতে হবে যেন গ্রাহকের কাছে পৌঁছানোর আগে তা খোলা না যায়। ট্যাম্পার-প্রুফ (Tamper-proof) প্যাকেজিং ব্যবহার করা বাঞ্ছনীয়।

২. ব্র্যান্ডিং ও লেবেলিং (Branding & Labeling)

লোগো ও পরিচয়: ভেন্ডর চাইলে প্যাকেজিংয়ে উজানভাটির লোগোর পাশাপাশি নিজস্ব ব্র্যান্ডের লোগো ব্যবহার করতে পারবেন (যদি তা পূর্বেই অনুমোদিত হয়)।

শিপিং লেবেল: প্রতিটি প্যাকেজের ওপর স্পষ্ট এবং নির্ভুল শিপিং লেবেল থাকতে হবে, যেখানে গ্রাহকের নাম, ঠিকানা এবং অর্ডার আইডি পরিষ্কারভাবে বোঝা যায়।

ইনভয়েস বা মেমো: প্যাকেজের ভেতরে অবশ্যই পণ্যের একটি কপি ইনভয়েস বা ডেলিভারি নোট প্রদান করতে হবে।

৩. পরিবেশবান্ধব প্যাকেজিং (Eco-friendly Encouragement)

উজানভাটি সব সময় পরিবেশ রক্ষার কথা মাথায় রাখে। তাই সম্ভব হলে প্লাস্টিকের পরিবর্তে পরিবেশবান্ধব কাগজ বা পাটের তৈরি প্যাকেজিং ব্যবহারের জন্য ভেন্ডরদের উৎসাহিত করা হয়।

৪. কাস্টমাইজড নোট (ঐচ্ছিক)

গ্রাহকের অভিজ্ঞতাকে আরও উন্নত করতে আপনি প্যাকেজের ভেতরে ছোট একটি 'থ্যাংক ইউ' নোট বা ডিসকাউন্ট কুপন যুক্ত করতে পারেন, যা আপনার ব্র্যান্ডের প্রতি গ্রাহকের আস্থা বাড়াবে।

সতর্কবার্তা:

যদি কোনো ভেন্ডর নিম্নমানের বা ত্রুটিপূর্ণ প্যাকেজিংয়ের কারণে পণ্য ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় গ্রাহকের কাছে পৌঁছান, তবে সেই পণ্য রিটার্ন এবং রিপ্লেসমেন্টের সমস্ত খরচ সংশ্লিষ্ট ভেন্ডরকে বহন করতে হবে।

আরো দেখুন

প্রতিষ্ঠাতার বার্তা

প্রিয় অংশীদার, 

 বিনিয়োগকারী, গ্রাহক এবং শুভানুধ্যায়ীবৃন্দ,

আপনাদের সবাইকে Ujanvati.com-এ স্বাগত জানাতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।

Ujanvati.com প্রতিষ্ঠিত হয়েছে একটি সহজ কিন্তু যুগান্তকারী বিশ্বাসের ওপর—প্রতিটি ভোক্তার মধ্যেই একজন সফল উদ্যোক্তা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বাংলাদেশের অসংখ্য প্রতিভাবান মানুষ মানসম্মত পণ্য উৎপাদন করেন, মূল্যবান সেবা প্রদান করেন এবং অসাধারণ উদ্যোক্তা হওয়ার সামর্থ্য রাখেন। কিন্তু বাজারে প্রবেশাধিকার, প্রযুক্তি, অর্থায়ন, ব্র্যান্ডিং এবং ব্যবসায়িক নেটওয়ার্কের সীমাবদ্ধতার কারণে অনেকেই তাদের পূর্ণ সম্ভাবনা বাস্তবায়ন করতে পারেন না।

আমাদের লক্ষ্য হলো এই সকল বাধা দূর করা।

Ujanvati.com কেবল একটি অনলাইন মার্কেটপ্লেস নয়; আমরা একটি সমন্বিত ডিজিটাল ইকোসিস্টেম গড়ে তুলছি, যা ভোক্তা, উদ্যোক্তা, কৃষক, উৎপাদক, কারুশিল্পী এবং সেবাদাতাদের এক প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করে। এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সবাই একটি ন্যায্য, স্বচ্ছ এবং প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতিতে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে। আমরা বিশ্বাস করি, উদ্যোক্তা হওয়ার সুযোগ ভৌগোলিক অবস্থান, আর্থিক সামর্থ্য বা সামাজিক অবস্থানের দ্বারা সীমাবদ্ধ হওয়া উচিত নয়। প্রত্যেক মানুষেরই একটি টেকসই ব্যবসা গড়ে তোলার, নিজের জীবনমান উন্নত করার এবং দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে অর্থবহ অবদান রাখার অধিকার রয়েছে।

আমাদের নতুন Consumer to Entrepreneur  (C2E)  মডেল ডিজিটাল বাণিজ্য, উদ্ভাবন, শিক্ষা এবং কমিউনিটি সহযোগিতার মাধ্যমে মানুষকে ক্ষমতায়িত করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। প্রযুক্তিকে অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যবসায়িক সুযোগের সঙ্গে একীভূত করে আমরা আমাদের ব্যবহারকারী, অংশীদার এবং বিনিয়োগকারীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি মূল্য সৃষ্টি করতে চাই, পাশাপাশি বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তরেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে চাই।

আমরা উপলব্ধি করি যে আমাদের সাফল্য আমাদের উদ্যোক্তা, গ্রাহক, কর্মী এবং কৌশলগত অংশীদারদের সাফল্যের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাদের বিশ্বাস ও সহযোগিতাই আমাদেরকে নিরবচ্ছিন্নভাবে উদ্ভাবন করতে এবং এমন সমাধান প্রদান করতে অনুপ্রাণিত করে, যা অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন আনে।

আমাদের বিনিয়োগকারীদের জন্য, আমরা একটি উচ্চ সম্ভাবনাময় ও সম্প্রসারণযোগ্য প্রযুক্তিনির্ভর প্ল্যাটফর্ম গঠনের অংশীদার হওয়ার সুযোগ প্রদান করি, যা আর্থিক সম্ভাবনার পাশাপাশি পরিমাপযোগ্য সামাজিক মূল্যও সৃষ্টি করবে।

আমাদের উদ্যোক্তাদের জন্য, আমরা প্রবৃদ্ধির একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম প্রদান করি। আমাদের গ্রাহকদের জন্য, আমরা বিশ্বাস ও নির্ভরযোগ্যতা প্রদান করি। আমাদের অংশীদারদের জন্য, আমরা সহযোগিতা ও পারস্পরিক সাফল্যের প্রতিশ্রুতি দিই।

আসুন, আমরা সবাই মিলে এমন একটি ভবিষ্যৎ নির্মাণ করি, যেখানে সুযোগ সবার জন্য উন্মুক্ত, উদ্যোক্তা হওয়ার পথ সবার জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং প্রযুক্তি টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নের শক্তিশালী চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে।

Ujanvati.com-এর প্রতি আপনার আস্থা ও বিশ্বাসের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ। বাংলাদেশের ডিজিটাল উদ্যোক্তা উন্নয়নের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার এই অভিযাত্রায় আপনাদের সবাইকে আমাদের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার আমন্ত্রণ জানাই।

শুভেচ্ছান্তে,  

মোঃ নাজমুল আলম, প্রতিষ্ঠাতা  Ujanvati.com


আরো দেখুন

গরু নেই ফার্মে, রাসায়নিকেই তৈরি হচ্ছে মণকে মণ ‘দুধ’

ফার্মে গরু নেই, অথচ নিয়মিত মণকে মণ দুধ তৈরি করে সরবরাহ করা হচ্ছে বিভিন্ন নামিদামি প্রতিষ্ঠানের ‘চিলিং সেন্টারে’। এসব দুধ তৈরি হচ্ছে সয়াবিন তেল, গ্লুকোজ, স্যাকারিন, ইউরিয়া সার, ডিটারজেন্ট পাউডার, কস্টিক সোডাসহ বিভিন্ন রাসায়নিক দিয়ে। এই দুধ আবার বাহারি মোড়কে পৌঁছে যাচ্ছে শিশু, রোগীসহ বিভিন্ন মানুষের পাতে।


পাবনার ভাঙ্গুড়া, চাটমোহর ও ফরিদপুরে নামে-বেনামে গড়ে উঠেছে দুই শতাধিক চিলিং সেন্টার (মান যাচাই ও প্রাথমিক সংরক্ষণাগার)। দুই শতাধিক চিলিং সেন্টারের মধ্যে ৯২টি বিভিন্ন স্বনামধন্য কোম্পানির এবং বাকিগুলো ব্যক্তিমালিকানাধীন। এ ছাড়া সাঁথিয়া, বাঘাবাড়ী ও বেড়া উপজেলায়ও রয়েছে অসংখ্য চিলিং সেন্টার। ভেজাল কারবারিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতি ৪০ লিটার ননিবিহীন সাদা পানিতে (মূল্যহীন তরল) মাত্র ৪৫০ টাকার রাসায়নিক মেশালেই তা রূপ নেয় ‘উচ্চফ্যাটযুক্ত দুধে’। পরে বাজারে সেই নকল দুধ বিক্রি হয় প্রায় ২ হাজার ২০০ টাকায়।

অর্থাৎ, প্রতি ৪০ লিটারে মুনাফা হয় প্রায় ১ হাজার ৭৫০ টাকা। এভাবে দৈনিক মণকে মণ নকল দুধ তৈরি করে মাসে আয় লাখ লাখ টাকা। অন্যদিকে কোনো কারণে বছরে একবার ধরা পড়লেও সর্বোচ্চ শাস্তি লাখ টাকা জরিমানা, যা লাগে না তাদের গায়ে। নকল দুধ তৈরি ও চিলিং সেন্টারে সরবরাহের প্রক্রিয়া জানতে চাইলে মুখ খুলতে নারাজ কারবারিরা। তবে নাম প্রকাশ না করার প্রতিশ্রুতি দিলে বললেন, ঘরে বসেই অনলাইনে অর্ডার দিলে বা ফোনে কথা বলে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকার ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে কেনা যায় এসব রাসায়নিক পদার্থ। কুরিয়ারের সরবরাহকারীর মাধ্যমে পৌঁছে যায় কারখানায়। এরপর সেই কৃত্রিম দুধ বিক্রিতে একটু সমস্যা হয়। তবে ৫০০ টাকা ঘুষ দিলেই খুলে যায় চিলিং সেন্টারের দরজা। দাম কম হওয়ায় জেনে-বুঝেই এই ক্ষতিকর তরল কিনছেন বিভিন্ন নামিদামি ব্র্যান্ডের স্থানীয় সংগ্রাহকরা।

 সূত্র : আগামীর সময়

https://www.amadershomoy.com/country/article/200887#gsc.tab=0

 

আরো দেখুন